
বিগত সরকারের আমলে ব্যাক্তিগত স্বার্থ সিদ্বির মানসিকতায় বিধি বহির্ভূত ভাবে রেলচেক স্থাপন ও পরবর্তীতে এরই ধারাবাহিকতায় রেলচেকটিকে পূর্ণ বৈধতা দিতে দ্বিতীয় বার সংস্কার কাজ করায় জনমনে চরম অসন্তোষ তৈরী করেছে কিশোরগন্জ রেলপথ উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী।
জানাগেছে, কিশোরগঞ্জ রেল বিভাগের উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান ( রাজন) বিগত ২০২২ – ২৩ মেয়াদে বাংলাদেশ রেলওয়ে সকল নিয়ম বিধি লংঘন করে মানিকখালী রেলওয়ে ষ্টেশনের অনুর্ধ এক কিলোমিটার এর মধ্যে এক প্রভাবশালীর বাংলো বাড়ীতে প্রবেশের জন্য এই রেলচেকটি স্থাপন করেছিলেন।
আরও পড়ুন:
তখন রেলচেক টির অবশিষ্ট গেইট ও গেইটম্যানের যৌক্তিকতা না থাকায় অসম্পূর্ণ থাকতেই উক্ত আনিসুজ্জামান ( রাসেল)এর অন্যএ বদলী হয়ে যায়। কিন্তু আনিসুজ্জামান চেকরেল স্থাপনের কাজটিকে চ্যালেন্জ হিসেবে নিয়ে কোন প্রকার নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে একক সিদ্ধান্তে ১/১২/২০২৫ চেকরেলটি সংস্কার করেন। অবশ্য এ কাজের উদ্যোগ নেয়ায় বিনিময়ে পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন বড় ধরনেরঅদৃশ্য পুরস্কার।
উক্ত আনিসুজ্জামান (রাজন)কোন উদ্দেশ্যে জনগুরুত্বপূর্ণ ৫ টি জনচলাচল ক্রসিং ডিংগিয়ে বাংলো বাড়ীর গেটে রেলচেক স্থাপন করেছেন তা জানতে অনুসন্ধান প্রতিবেদন করতে গণমাধ্যম কর্মী রা তার মুঠোফোনে যোগাযোগ করলেও রিসিভ হয়নি।
সরজমিনে গিয়ে দেখা যায় বাংলো বাড়ি থেকে ৩০ গজ দূরে একটা প্রাইমারি ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় থাকার পর ও ঐ জনবহুল জায়গায় চেকরেল না বসিয়ে তিনি নির্দিষ্ট বাংলো বাড়ির সামনেই বসিয়েছেন এবং পুনরায় সংস্কারের নামে বৈধতা দিতে চেয়েছেন ।
এ বিষয়ে রেলওয়ের ( এ ইএন) ভৈরব মোঃ জাহিদ হাসানের নিকট প্রশ্নকরলে জানান রেলচেক সাধারণত যে রাস্তায় অধিক মালামাললোড করা ও ভারী যানবাহন পারাপার হয় সেই স্থানেই কেবল গেইট ও গেইটম্যান থাকে এমন স্থান গুলোতেই রেলচেক বসানো হয়। বিতর্কিত স্থানে রেলচেক এর যৌক্তিকতা না থাকলেও এক্ষেএে প্রাতিষ্ঠানিক নিয়মেরও ব্যাত্যয় ঘটানো হয়েছে। কোন ব্যাক্তি বা মহলকে খুশী করার জন্যই এমনটি করা হয়েছে।
এছাড়াও আনিসুজ্জামান (রাজন) মানিকখালী ষ্টেশন সংলগ্ন গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা হওয়ায় ব্যাক্তিগত প্রভাব বিস্তার করা তার আচরনে পরিনত হয়ে উঠেছে। এ বিষয়ে গভর্নন্ট ইন্সপেক্টর অব বাংলাদেশ রেলওয়ে( GIBR) এর কোন অনুমোদন নেই বলে আমার ধারণা।
অপরদিকে বর্তমান উর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী জুলহাস হোসেন বিভাগীয় প্রশিক্ষনে যাবার সুবাদে মোঃ আনিসুজ্জামান ( রাজন) চলতি দায়িত্বে সাবেক কর্মস্থল কিশোরগন্জে এসেই স্হায়ী করার কাজে লিপ্ত হন।
এলাকাবাসীর চক্ষুশুল রেলচেকটি যে কোনভাবে জনবহুল ও ভারী যানচলাচল স্হানে স্হানান্তর করা। অপরদিকে ১ডিসেম্বর ২০২৫ স্বারক নং বিডব্লিউ/৩৬/২৫ মারফত রেলচেকটি পুনঃসংস্কার করার উদ্যোগ গ্রহণ করলে জনমনে চরম সন্দেহ ক্ষোভ তৈরী হয়।
মানিকখালী ষ্টেশন সংলগ্ন অটো রিক্সাষ্ট্যান্ড বসিয়ে ইজিবাইক থেকে চাঁদা তোলার বিষয়টিতে ও সংশ্লিষ্টতা রয়েছে বলে বিশ্বস্ত সূত্রে জানাগেছে ।
উক্ত রাসেল অল্প দিনেই মানিকখালী গ্রামে বহুতলা ভবন নির্মান সহ বহু সম্পদ অর্জন করেছেন। উর্দ্বতন উপ সহকারী প্রকৌশলী মোঃ আনিসুজ্জামান ( রাজন) দাপ্তরিক স্বারক সম্বলিত পএে নিজ নামটি গোপন করে রহস্য তৈরী করেছেন।
এব্যাপার অহেতুক অর্থ অপচয় ও ক্ষমতার অপব্যবহারও ফ্যাসিষ্ট আমলের সংস্কৃতি থেকে বেরিয়ে সেবা খাতে স্বচ্ছতা জবাবদিহিতা আনতে বাংলাদেশ রেলওয়ের তৈলাক্তবাজ কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলার ব্যবস্থা নেয়া সময়ের দাবী।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন