
সুস্থ থাকতে আমরা নানা নিয়ম মেনে চলি, কিন্তু অজান্তেই কিছু দৈনন্দিন অভ্যাস আমাদের কিডনির জন্য বড় হুমকি হয়ে উঠতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, কিডনির সমস্যা অনেক সময় শুরুতে স্পষ্ট লক্ষণ দেখায় না। ফলে দীর্ঘদিন অবহেলা করলে তা মারাত্মক অবস্থায় পৌঁছাতে পারে।
শরীরে পানির ঘাটতি হলে কিডনি ঠিকমতো টক্সিন বের করতে পারে না, ফলে বিষাক্ত পদার্থ জমে গিয়ে কিডনির ওপর অতিরিক্ত চাপ সৃষ্টি করে। সাধারণত একজন সুস্থ প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক ২–৩ লিটার পানি পান করা প্রয়োজন তবে পরিবেশ, কাজ ও শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে এই পরিমাণ কিছুটা বাড়তে বা কমতে পারে ।

অতিরিক্ত লবণ খাওয়ার অভ্যাসও কিডনির জন্য ক্ষতিকর। বেশি লবণ শরীরে সোডিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে রক্তচাপ বৃদ্ধি করে, যা দীর্ঘমেয়াদে কিডনির ফিল্টারিং ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। এছাড়া দীর্ঘ সময় প্রস্রাব চেপে রাখার ফলে ইউরিনারি ট্র্যাক্টে সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায় এবং তা কিডনিতে ছড়িয়ে পড়তে পারে।
কিডনির সমস্যার প্রাথমিক লক্ষণ হলো অস্বাভাবিক ক্লান্তি, শরীর বা পা ফুলে যাওয়া, প্রস্রাবের রঙ বা পরিমাণে পরিবর্তন, খিদে কমে যাওয়া বা বমিভাব। এসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
কিডনি সুস্থ রাখতে নিয়মিত ব্যায়াম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, পর্যাপ্ত ঘুম এবং ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। পাশাপাশি ধূমপান ও অতিরিক্ত অ্যালকোহল এড়িয়ে চলাও প্রয়োজন।
No tags found for this post.
মন্তব্য করুন