
মাদকাসক্ত ব্যাক্তি খারাপ নয়, পাগলও নয়, একজন অসুস্থ। তাকে সুস্হ জীবনে ফিরিয়ে দিতে মাদকাসক্ত নিরাময় কেন্দ্রের বিকল্প নেই।
একজন শিশু মাতৃগর্ভে ভ্রূণ থেকে জন্ম নিয়ে নিস্কলুষভাবে পৃথিবীতে আসে, তেমনি জগৎ সংসারে হতাশা ব্যর্থতা অবসাদ প্রত্যাশা প্রাপ্তী তাকে একাকীত্ব করে তোলে। সমাজ তাকে করে ভর্ষণা সে হয়ে উঠে মাদক নির্ভর মানুষে।
এমনি মাদকসেবীদের জীবনমান সুরক্ষিত রাখতে সদ্য আসক্তি মুক্ত তরুণদের নিয়ে গড়ে উঠা ” লাইফ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র “।
কিশোরগঞ্জ জেলা সদরের গাইটাল সার্কিট হাউজ এর বিপরীতে ধ্রুব এরিক টাওয়ারে গড়ে উঠা পুনর্বাসন কেন্দ্রটি যেন নারকোটিক্স এনোনিমাস পদ্ধতির একটি প্রতিফলন।
আরও পড়ুন:
৯ সদস্যের ব্যবস্হাপনা কমিটি, ৮ জন ভলান্টিয়ার, সার্বক্ষণিক প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত এটেনডেন্ট কেয়ারটেকার, খন্ডকালীন মেডিকেল অফিসার ও কাউন্সেলিং এর মাধ্যমে নির্বিষকরণ সহ পুনর্বাসন কার্যক্রম পরিচালনা করছে। মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্রটি ২০২৪ সালের ২৪ সেপ্টেম্বর প্রতিষ্ঠা করে গর্ভমেন্ট লাইসেন্স নং কিশোর -০৮ বর্তমান পরিচালক রোহানুল ইসলাম নামে একজন রিকোভারী এডিক্ট। তার দুইজন সহকারী কাজী জোনায়েদ রোমন ও আসিফ রহমান সার্বক্ষণিক তদারকি তে নিয়োজিত। ভাড়া বাড়ীর ছয়টি কক্ষে ২৩ জন মাদকাসক্ত রোগীর চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত এ প্রতিষ্ঠান টি। শীতাতপ নিয়ন্ত্রন, মেডিকেল ইক্যুইপমেন্ট, মেডিসিন গ্যালারী সহ সুদৃশ্য বেড সিস্টেমের কেন্দ্র টিতে রয়েছে ক্লিনিক্যাল থেরাপি ও রিক্রিয়েশনাল থেরাপীর ব্যবস্থা।
ধর্মীয় অনুশাসন মানা ও নিয়মিত শরীরচর্চা এ প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ এক অনুসংঘ। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর কিশোরগঞ্জ জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক অতিসম্প্রতি কেন্দ্র টি পরিদর্শন করে পরিদর্শন বহিতে সন্তোষজনক মন্তব্য করেছেন। মাদকাসক্তের পরিবারের জন্য লাইফ মাদকাসক্ত পুনর্বাসন কেন্দ্র আশীর্বাদ সরূপ মনে করছেন অনেকে।
মন্তব্য করুন