
ভারতীয় আয়ুবের্দিকের ‘শক্তিবর্ধক’ ওষুধ হেলথ ফিট ক্যাপসুল এখন বাংলাদেশের উত্তরপূর্বাঞ্চলের চোরাচালানের তালিকায় ওঠেছে। সিলেটের সীমান্ত উপজেলা জৈন্তাপুরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) সমন্বয়ে পরিচালিত টাস্কফোর্সের চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ধরা পড়েছে ভারতীয় শক্তিবর্ধক এই ওষুধসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার চোরাই পণ্য।
সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) বিজিবি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানায়। বিজিবি ও টাস্কফোর্সের অভিযানে ভারতীয় ওষুধসহ প্রায় দেড় কোটি টাকার চোরাই পণ্য জব্দ করা হয়।
আরও পড়ুন:
৪৮ বিজিবির অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. নাজমুল হক খবরের কাগজকে এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, হেলথ ফিট মেডিসিনের ৯৮টি কৌটা জব্দ করা হয়েছে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২২ সেপ্টেম্বর সিলেট ব্যাটালিয়নের (৪৮ বিজিবি) দায়িত্বাধীন সুনামগঞ্জের দোয়রাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার, সিলেটের গোয়াইনঘাটের বিছনাকান্দি বিওপি কর্তৃক চোরাচালানবিরোধী অভিযানে ভারতীয় গরু, মোটরসাইকেলের মিটার, ফুচকা, মোটরসাইকেল যন্ত্রাংশ জব্দ করে।
এছাড়া, জৈন্তাপুর উপজেলার ফেরিঘাট এলাকায় টাস্কফোর্স অভিযান পরিচালনা করে বিপুল পরিমান ভারতীয় শাড়ি, লেহেঙ্গা থান কাপড়, এবং মেডিসিন জব্দ করা হয়।
জব্দ করা মালামালের আনুমানিক সিজারমূল্য ১ কোটি ৪৩ লাখ ৮৫ হাজার ৫০০ টাকা।
চোরাচালানের তালিকায় ওঠা ভারতীয় ওষুধ সম্পর্কে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, সীমান্তের যে পথ দিয়ে আগে চিনি চোরাচালান হতো, সেই সব পথ দিয়ে নিত্যনতুন পণ্যের সঙ্গে ভারতীয় শক্তিবর্ধক ওষুধ আসছে। শীতকালে ওষুধটির চাহিদা বেশি থাকে। এসব ওষুধের ক্রেতা গ্রাম এলাকার হাটবাজরের বিভিন্ন ওষুধের দোকান। এছাড়া, সিলেট নগরীর কিছু ক্লিনিক ও ওষুধের দোকানেও রাখা হয়। দামের তারতম্য থাকায় চোরাই চক্রের মাধ্যমে ওষুধগুলো বাজারজাত করা হচ্ছে।
মন্তব্য করুন