
২০২৫ সালের এইচএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশের পরই শুরু হচ্ছে নতুন এক লড়াই, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিযুদ্ধ’। শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ভর্তি হতে হলে এবারও শিক্ষার্থীদের পড়তে হবে কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে। যেখানে মেধা, প্রস্তুতি ও যোগ্যতাই নির্ধারণ করবে কারা পাবেন কাঙ্ক্ষিত আসন। সব মিলিয়ে ৭ লাখের বেশি শি*ক্ষার্থী এবার উচ্চশিক্ষার স্বপ্ন বাস্তবায়নে এই কঠিন প্রতিযোগিতায় নামছেন।
বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি) ও শিক্ষাতথ্য পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) তথ্যমতে, দেশে স*রকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা ৫৫টি, এর মধ্যে ৫৩টিতে নিয়মিত শিক্ষা কার্যক্রম চলছে। এসব বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন সংখ্যা ৫০ হাজারের সামান্য বেশি।
আরও পড়ুন:
তবে তীব্র প্রতিযোগিতা হয়- মেডিকেল, প্রকৌশল ও শীর্ষ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে। ব্যানবেইস এর তথ্য মতে, বর্তমানে ৩৬টি সর*কারি মেডিকেল কলেজ ও পাঁচটি প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট আসন ১৩ হাজার ৫০০। আর প্রথম সারির পাঁচটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে (ঢাকা, জাহা*ঙ্গীরনগর, চট্টগ্রাম, রাজশাহী ও ইসলামিক বিশ্ববিদ্যালয়) আসন সংখ্যা প্রায় ২২ হাজার।
এবার এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছেন ৭ লাখ ২৬ হাজার ৯৬০ জ*ন শিক্ষার্থী। জিপিএ–৫ পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৯৭ জন শিক্ষার্থী। তবে শুধু জিপিএ–৫ নয়, জিপিএ–৪ ও ৩.৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীরাও ভর্তি লড়া*ইয়ে অংশ নেবেন। জিপিএ–৪ পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার এবং জিপিএ–৩.৫ পেয়ে*ছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার শিক্ষার্থী।
গত বছর থেকে আমরা ভর্তি পরীক্ষা চালু করেছি। এতে মেধাভিত্তিক নির্বাচনের সু*যোগ তৈরি হয়েছে, ফলে অনেক যোগ্য শিক্ষার্থী এবারও ভর্তি হতে পারবে। জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম আমানুল্লাহ বিশেষজ্ঞদের মতে, জিপিএ কেবল শিক্ষার্থীর একাডেমিক সাফল্যের সূচক; বিশ্ববিদ্যা*লয়ে ভর্তির ক্ষেত্রে মূল নির্ধারক হলো ভর্তি পরীক্ষার ফল। তাই ভালো ফল করলেও সবার জন্য স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত নয়।
মন্তব্য করুন