
শক্তিশালী ঘূর্ণিঝড় মান্থা ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে চলেছে। মঙ্গলবার সকাল নাগাদ ঘূর্ণিঝড়টি উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সেই সময় এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার হতে পারে। ইতিমধ্যে, ওড়িশার বেশ কয়েকটি জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে।
বঙ্গোপসাগরে তৈরি নিম্নচাপটি ধীরে ধীরে শক্তিশালী হয়ে তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হচ্ছে। যা ভারতের তিনটি দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলীয় রাজ্য – অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে আঘাত হানতে চলেছে।
আরও পড়ুন:
রবিবার সন্ধ্যায় নিম্নচাপটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হতে পারে এবং মঙ্গলবার সকাল নাগাদ উপকূলে আঘাত হানতে পারে। সেই সময় এর গতিবেগ ঘণ্টায় ৯০ থেকে ১০০ কিলোমিটার হতে পারে। ওড়িশার দক্ষিণাঞ্চলীয় জেলাগুলি মান্থার প্রভাবে সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।
ভারতের আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে যে ঘূর্ণিঝড়টির সর্বশেষ অবস্থান আন্দামানে পোর্ট ব্লেয়ার থেকে ৬৫০ কিলোমিটার পশ্চিমে, তামিলনাড়ুর চেন্নাই থেকে ৭৯০ কিলোমিটার পূর্ব-দক্ষিণ-পূর্বে, অন্ধ্রপ্রদেশের বিশাখাপত্তনম থেকে ৮৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে, অন্ধ্রপ্রদেশের কাকিনাড়া থেকে ৮৪০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে এবং ওড়িশার গোপালপুর থেকে ৯৫০ কিলোমিটার দক্ষিণ-দক্ষিণ-পূর্বে।
ঘূর্ণিঝড় ‘মান্থা’ অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশা এবং পশ্চিমবঙ্গে ভারী বৃষ্টিপাত হতে পারে বলেও পূর্বাভাস দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে, মালকাগিরি, কোরাপুট, কালাহান্ডি, রায়গড়া সহ ওড়িশার বেশ কয়েকটি জেলায় অরেঞ্জ অ্যালার্ট জারি করা হয়েছে। নোয়াপাড়া, বালাগিরি, পুরীতেও হলুদ সতর্কতা জারি করা হয়েছে।
ঘূর্ণিঝড় মান্থার নামকরণ করা হয়েছে থাইল্যান্ডের নামে। স্থানীয় ভাষায় এর অর্থ সুগন্ধি ফুল। আবহাওয়াবিদদের মতে, ঘূর্ণিঝড় মান্থা একটি তীব্র ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
মন্তব্য করুন